চরম ঠান্ডায় তুষারকামড় একটি গুরুতর বিপদ। টিস্যু ক্ষতি রোধ করতে তুষারকামড়ের তিনটি পর্যায়, সতর্কতা চিহ্ন এবং সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি জানুন।
তুষারকামড় কী?
তুষারকামড় ঘটে যখন চরম ঠান্ডার সংস্পর্শে ত্বকের টিস্যু এবং অন্তর্নিহিত টিস্যু জমে যায়। এটি প্রায়শই হাতের আঙ্গুল, পায়ের আঙ্গুল, নাক এবং কানের মতো প্রান্তগুলিকে প্রভাবিত করে।
তুষারকামড়ের তিনটি পর্যায়
পর্যায় 1: ফ্রস্টনিপ
সবচেয়ে হালকা পর্যায় লালভাব, ঝিনঝিন এবং অসাড়তা সৃষ্টি করে। ত্বক ফ্যাকাশে হতে পারে কিন্তু নরম থাকে। অবিলম্বে উষ্ণ করলে সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার সম্ভব।
পর্যায় 2: উপরিভাগের তুষারকামড়
ঠান্ডা সত্ত্বেও ত্বক উষ্ণ অনুভব হয়, সাদা বা ধূসর হয়ে যায় এবং ফোসকা পড়তে পারে। টিস্যুতে বরফের স্ফটিক তৈরি হতে পারে।
পর্যায় 3: গভীর তুষারকামড়
সবচেয়ে গুরুতর পর্যায় ত্বকের সমস্ত স্তর এবং অন্তর্নিহিত টিস্যুকে প্রভাবিত করে। ত্বক সাদা, নীলাভ বা দাগযুক্ত হয়ে যায়। পেশী এবং জয়েন্ট কাজ করা বন্ধ করতে পারে।
সতর্কতা চিহ্ন
- ঝিনঝিন বা কাঁটা ফোটার অনুভূতি
- আক্রান্ত স্থানে অসাড়তা
- ত্বকের রঙ পরিবর্তন (লাল, সাদা, ধূসর-হলুদ)
- ত্বকের অস্বাভাবিক মোমের মতো চেহারা
- জয়েন্ট বা পেশীতে শক্ততা
প্রাথমিক চিকিৎসা নির্দেশিকা
অবিলম্বে আশ্রয় খুঁজুন এবং ভেজা কাপড় খুলে ফেলুন। 37-39°C তাপমাত্রার হালকা গরম (গরম নয়) জল দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধীরে ধীরে গরম করুন। কখনই জমে যাওয়া ত্বক ঘষবেন না বা সরাসরি তাপের উৎস ব্যবহার করবেন না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা সহায়তা নিন।